আশা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হার দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছে টাইগাররা। সাইফ হাসান, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়রা চেষ্টা করলেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় শেষপর্যন্ত জয়বঞ্চিত থাকতে হয় স্বাগতিকদের।
মিরপুরে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। ৭ম ওভারে নিক কেলিকে শরিফুল সাজঘরে ফেরালেও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ং। দুজনের ৭৩ রানের জুটি ভাঙে ৪২ বলে ৩০ রান করে ইয়ং বিদায় নিলে, রিশাদের প্রথম শিকারে পরিণত হয়ে।
২৫ ওভার শেষেও নিউজিল্যান্ডকেই রাখতে হচ্ছিল চালকের আসনে। তবে অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ প্রতিপক্ষ অধিনায়ক টম ল্যাথামকে ফেরালে তার খানিক পরই ভয়ংকর হয়ে ওঠা নিকোলসকে শিকার করেন রিশাদ। আর তাতে মোমেন্টামও চলে আসে বাংলাদেশের দিকে। মোহাম্মদ আব্বাসকে শিকার করেন শরিফুল, এরপর ডিন ফক্সক্রফট বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালান। ভাগ্য পক্ষে না থাকায় রিশাদের নামের পাশে উইকেটের সংখ্যা বাড়েনি।
শেষদিকে বাংলাদেশের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ান ফক্সক্রফট। ওয়ানডে ফরম্যাটের সাথে ব্যাটিংয়ের তাল ঠিক রেখে তুলে নেন অর্ধশতক। যদিও দলীয় রান রেট ছিল কম। শেষপর্যন্ত আড়াইশর কাছাকাছি পৌঁছে যায় কিউইরা। বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন শিকার করেন দুটি করে উইকেট। জোড়া উইকেট পান তাসকিনও। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। দলীয় ২১ রানে তামিমের সাথে নাজমুল হোসেন শান্তকেও হারায় টাইগাররা। এরপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সাইফ হাসান ও লিটন দাস।
তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের জুটি গড়ে সাইফ বিদায় নেন ৭৬ বলে ৫৭ রানে করে। ৬৮ বলে ৪৬ রান করে লিটন বিদায় নেন ১৩২ রানে। এরপর আফিফকে নিয়ে তাওহীদ হৃদয় চেষ্টা করলেও আফিফ ধীরগতির ইনিংস খেলে থিতু হয়ে সাজঘরে ফেরেন। ৪৯ বলে ২৭ রান করেন এই ব্যাটার। সুবিধা করতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। ১৯৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই অনেকটা ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ।
হৃদয়ের ৫৫ রানের ইনিংসও আর হার ঠেকাতে পারেনি বাংলাদেশের। শেষপর্যন্ত ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েই মাঠ ছাড়ে সফরকারী দল।


















